রাজনৈতিক বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার এমন ব্যক্তিদের জন্য বিশ্বজুড়ে সংহতির কোন সীমানা থাকা উচিত নয়। আমাদের মধ্যে যারা অং সান সু চি-র গৃহবন্দী থাকাকালীন সময় তার পক্ষে বক্তব্য রেখেছিলেন – আমরা যারা মিছিল করে তার মুক্তির আহ্বান জানিয়েছিলাম তারাও রোহিঙ্গা জনগণের পক্ষে কথা বলছে।

বাংলাদেশে মিয়ানমারের প্রায় দশ মিলিয়ন রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। মধ্য প্রাচ্যে যা ঘটছে তাতে বিশ্ব মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা হয়।যে সব শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছে বা যে সব শরণার্থীরা ইউরোপে রয়েছে তাদের যে সমর্থন পাওয়া উচিত তা পাচ্ছে না, বরং উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং তাদের নিরাপদ বাসস্থান অনুসন্ধানের কারণগুলিও উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়গুলির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আরও অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া দরকার। তবে কেন তারা তাদের আবাসভূমি ছেড়ে এসব শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে সেদিকে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। এবং এটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের অধিকার, ভাষা এবং মিয়ানমারের প্রতি তাদের বিশ্বাসকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এর সমাধান করতে হবে। একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যকরভাবে তাদের নিজদেশ থেকে বিতাড়িত করা হচ্ছে, যা জাতিগত নির্মূলের শামিল। সুতরাং এটির সমাধান করতে হবে এবং বলতে হবে, আর যদি তা না করা হয় তবে এর ভবিষ্যত কী?

আল জাজিরা

Leave a Reply