তামীম আদনান, কুষ্টিয়া 

বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের সাথে প্রতিদিন হাজার- হাজার পরিত্যক্ত পলিথিন পড়ছে মহাসড়কের পাশে ফসলী জমিতে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আবাদী জমি । দুর্গন্ধে মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতে অতিষ্ঠ পথচারী   ।
কুষ্টিয়া কুমারখালী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের দুর্গাপুর। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কের পাশে পৌরসভার  ময়লার স্তুপ  থেকে রোগ জীবানু ও  মশা -মাছি বেড়ে চরম বিপাকে এলাকাবাসী ও পথচারীরা।
 কুমারখালী দুর্গাপুর ফায়ার স্টেশন পাশে মাদারতলা নামক স্থানে  এই রাস্তা দিয়ে হেঁটে বা যানবাহনে চলাচল করতে হয় নাক ধরে।
এলাকাবাসীরা  জানান,  দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন গৃহস্থলীর বর্জ্য, গরু মরা, কুকুর মরা, ছাগল মরা, বাজারের মুরগি বর্জ্য এখানে রাখা হয়।
এতে যেমন পরিবেশের দূষিত হচ্ছে পাশাপাশি রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রাস্তায় ময়লা রাখার কারণে একদিকে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে মানুষ চলাচলে ভুগান্তিতে পড়ছে।
এলাকাবাসী বলছেন, এই দূর্গন্ধের কারণে  দরজা-জানালা খোলার উপায় নেই । রাস্তাটি যেন দিন-  দিন মানুষ চলাচলের অনউপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌর মেয়রের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
পৌরসভায় বর্জ্য নিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনার ফলে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ছে। পৌর শহরের ব্যবসায়ী ও বাসাবাড়ির নিত্যদিনের ময়লা-আবর্জনা   ফেলায়  পরিবশে দূষণ ও নোংরা হচ্ছে। এ সব বর্জ্য অপসারণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী ও এলাকাবাসী।
এদিকে রাস্তার পাশে ফেলেরাখা  বর্জ্য  পাশের আবাদি জমিতে মিশে  নষ্ট হচ্ছে জমি।

এবিষয়ে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এস,এম শাহিনুর রহমান শাহীন সাথে  যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। 
তবে কুমারখালী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপক পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম বললেন, শুধু পৌরসভার বর্জ্য নয় অন্য জায়গা থেকে এই বর্জ্য রাতের আঁধারে রাখা হচ্ছে ।

 কুমারখালী পৌর মেয়র সামছুজ্জামান অরুণ জানান, পৌরসভার বর্জ্য  ব্যবস্থাপনার জন্য একটি জায়গা নির্ধারণ করা হচ্ছে। শিগগরি কাজ শুরু করবো।

Leave a Reply